বাংলাদেশে অনলাইন বেটিং প্ল্যাটফর্মের সংখ্যা বাড়লেও সব জায়গায় অভিজ্ঞতা একরকম নয়। কোথাও পেমেন্ট পেতে দেরি হয়, কোথাও অডস বাজারের সাথে মেলে না, কোথাও আবার বাংলা ভাষায় সাপোর্ট পাওয়া যায় না। Fabjee এই জায়গাগুলোতেই আলাদা হওয়ার চেষ্টা করেছে।
প্রথমবার বেট করতে গেলে অনেকেই বুঝতে পারেন না কোন মার্কেট থেকে শুরু করবেন। বিশেষজ্ঞরা বলেন সবচেয়ে ভালো হলো যে খেলাটা সবচেয়ে বেশি দেখেন সেই খেলা দিয়ে শুরু করা। বাংলাদেশে এটা সাধারণত ক্রিকেট। টাইগারদের ম্যাচে দলের ফর্ম, পিচ কন্ডিশন এবং প্রতিপক্ষের দুর্বলতা জানলে সিদ্ধান্ত নেওয়া অনেক সহজ হয়।
অভিজ্ঞ বেটাররা কখনো মোট বাজেটের ৫% এর বেশি একটি বেটে রাখেন না। এই নিয়মটা মানলে হারের পরেও মাঠে থাকা যায় এবং দীর্ঘমেয়াদে লাভজনক থাকার সুযোগ বেশি।
Fabjee-র লাইভ বেটিং ফিচারটি অনেক বেটারের কাছে সবচেয়ে আকর্ষণীয়। ম্যাচ শুরু হওয়ার পরেও বাজি ধরা যায় এবং পরিস্থিতির উপর নির্ভর করে প্রতি মুহূর্তে অডস পরিবর্তিত হতে থাকে। একটি দল যখন প্রথম উইকেট হারায় তখন প্রতিপক্ষের অডস কমে আসে — এই মুহূর্তগুলোতে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে পারলে খুব ভালো ভ্যালু পাওয়া যায়।
ফুটবলে লাইভ বেটিং আরো বেশি উত্তেজনাপূর্ণ। প্রথম হাফ শেষে স্কোর দেখে দ্বিতীয় হাফের ফলাফল অনুমান করা, কর্নার কিকের সংখ্যায় বাজি ধরা বা পরের গোল কে করবে সেটায় বেট রাখা — এসব মার্কেটে দ্রুত মাথা ঠাণ্ডা রেখে সিদ্ধান্ত নেওয়াটাই সাফল্যের চাবিকাঠি।
Fabjee-তে ই-স্পোর্টস বেটিংও দিন দিন জনপ্রিয় হচ্ছে। CS:GO, Dota 2, Valorant এবং FIFA টুর্নামেন্টে নিয়মিত বেটিং মার্কেট পাওয়া যায়। যারা এই গেমগুলো নিয়মিত খেলেন বা দেখেন তাদের জন্য ই-স্পোর্টস বেটিং একটা বাড়তি সুবিধার জায়গা কারণ সাধারণ স্পোর্টস বুকিরা অনেক সময় এই মার্কেটগুলোকে কম গুরুত্ব দেয় ফলে ভ্যালু বেশি থাকে।
অ্যাকুমুলেটর বেটিং নিয়ে অনেক নতুন বেটারের মধ্যে ভুল ধারণা আছে। অনেকে মনে করেন বেশি ম্যাচ যোগ করলেই বেশি জেতার সুযোগ। আসলে প্রতিটি অতিরিক্ত ম্যাচ আপনার জেতার সম্ভাবনা কমিয়ে দেয়। তাই ২-৩টি ইভেন্টের ছোট অ্যাকুমুলেটর দিয়ে শুরু করা বুদ্ধিমানের কাজ — অডস যথেষ্ট আকর্ষণীয় থাকে এবং জেতার সম্ভাবনাও বেশি।